ঠাকুরগাঁওয়ে রানীশংকৈলে অর্থঅভাবে নির্মাণকাজ বন্ধ মডেল মসজিদের ।

সোমবার, অক্টোবর ২৫, ২০২১

মোঃ মজিবর রহমান শেখ,
ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের নির্মাণকাজ অর্থের অভাবে বন্ধ রয়েছে। মসজিদটির একতলার ছাদ ঢালাইয়ের পর কাজ বন্ধ হয়ে যায়। অথচ নির্মাণকাজ সমাপ্তির নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেছে।
অর্থের অভাবে কাজ বন্ধের কথা নিশ্চিত করেছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মজিদ সন্স কন্সট্রাকশন লি. অ্যান্ড পারভেজ কন্সট্রাকশন লিমিটেডের (জেভি) প্রজেক্ট প্রকৌশলী মোঃ সফিকুল ইসলাম এবং এ কাজের বাস্তবায়নকারী ঠাকুরগাঁও গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মাজেদার রহমান। ঠাকুরগাঁও গণপূর্ত বিভাগের তথ্যমতে, রাণীশংকৈল পৌরশহরের হ্যালিপোর্ড মাঠের প্রায় ৫০ শতক জমিতে মসজিদটি নির্মাণে ১২ কোটি ৪৮ লাখ ৮৫ হাজার ৯৫২ টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়। ২০১৯ সালের ৪ নভেম্বর তিনতলা
বিশিষ্ট মডেল মসজিদ ও সাংস্কৃতিক স্থাপনাটির ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহারিয়ার আজম মুন্না, তৎকালীন রানীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মৌসুমি আফরিদা, ঠাকুরগাঁও জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক আবুল কাশেম প্রমুখ। উদ্বোধনের পর কাজটি ১৮ মাসের মধ্যে শেষ করার চুক্তি থাকলেও ২৫ মাসে এসে দাঁড়ালেও মসজিদটি নির্মাণের তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তিনতলা মসজিদটির শুধু একতলা ছাদের ঢালাই শেষ হয়েছে এ ছাড়া মিনারটি অর্ধনির্মিত অবস্থায় পড়ে আছে। ছাদের ওপরে পিলারের রডগুলো খোলামেলা অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের সভাপতি জাকারিয়ার হাবীব ডন বলেন, ‘জননেত্রীর এমন উদ্যোগকে সাধারণ মানুষ স্বাগত জানিয়েছে, তবে হঠাৎ নির্মাণকাজ বন্ধ কেন, তা নিয়ে মানুষের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। আমি আশা রাখছি, শিগগির মসজিদটির কাজ সম্পূর্ণ হবে।’ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটির প্রকল্প প্রকৌশলী সফিকুল ইসলাম মোবাইল ফোনে বলেন, ‘ফান্ডের অভাবে কাজ বন্ধ রয়েছে। ফান্ড পেলেই আমরা আবারও নির্মাণকাজ শুরু করব।’ ঠাকুরগাঁও গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মাজেদার রহমান বলেন, ‘আপনারা জানেন, এই কাজগুলো প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে হচ্ছে। ইতিমধ্যে ৫০টি মসজিদের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে আরও ১০০টি হবে। তৃতীয় ধাপে আরও হবে, সে ধাপে রাণীশংকৈল উপজেলার মসজিদটির অনুকূলে ফান্ড পাওয়া যেতে পারে। ফান্ড পেলেই আমরা কাজ শুরু করব।’