রাজশাহীর বাগমারায় জোরপূর্বক জমি ও পুকুর দখলের অভিযোগ

বৃহস্পতিবার, জুলাই ২২, ২০২১

রাজশাহী প্রতিনিধি:

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার গোবিন্দপাড়া ইউনিয়নের ৪নং গোবিন্দপাড়া ওয়ার্ডের চংদার পাড়ার পূর্ব দিকে সুলাকুড়া বিলের প্রায় ৯০-১০০বিঘা জমি ও পুকুর জোরপূর্বক দখল করে মাছ চাষের অভিযোগ পাওয়া গেছে।গত ১৪ই জুলাই এলাকাবাসীর পক্ষে গোবিন্দপাড়া গ্রামের মৃত যোগেন্দ্রনাথ চংদার (আশুকোষ) এর ছেলে অনুপ কুমার চংদার(টুটুল) জেলা প্রশাসক বরাবরে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ও প্রাণনাশের হুমকির মাধ্যমে জোরপূর্বক দখলকৃত সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, গোবিন্দপাড়া গ্রামের হিন্দু-মুসলিমসহ সকলের প্রায় ৯০-১০০বিঘা বিলে পুকুর সহ সম্পত্তি এলাকার প্রভাবশালী গোবিন্দপাড়া গ্রামের মৃত সোলাইমানের ছেলে আঃ সামাদ, মৃত হারুর ছেলে আঃ হাকিম,মৃত জাগির উদ্দিনের ছেলে আলেফ আলী,খোদা বক্সের ছেলে ছানাউল্লাহ্,পানাউল্লাহের ছেলে শফিকুল ইসলাম,আয়েজ উল্লাহের ছেলে ইমরান হোসেন,মৃত রফাতুল্লাহ মন্ডলের ছেলে দুলাল মন্ডল,আকালুর ছেলে গফুর, ছাদ্দাম,উজ্জল,মন্জ্ঞিলার ছেলে সাদ্দাম হোসেন,ছয়ফল মন্ডলের ছেলে হাসান,তাছির উদ্দিনের ছেলে আফজাল হোসেন সহ আরো কিছু দুস্কৃতিকারী জমির মালিকদের সাথে কথা না বলে জোরপূর্বক দখল করে মাছ চাষ করছে।এবিষয়ে তাদেরকে মাছ চাষে বাধা দিলে তারা জমি মালিকদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
এবিষয়ে গোবিন্দপাড়া গ্রামের কৃষক মৃত নরেন্দ্রনাথ এর ছেলে গুপেশ চংদার ও হাদু সরদারের ছেলে আঃ মান্নান বলেন বিবাদীগন আমাদের বাবার পৈতৃক সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে মাছ চাষ করছে। একই গ্রামের মৎস্যজীবী ইয়াজ উদ্দীনের ছেলে মুনছুর রহমান ও মসলেম আলী বলেন আমরা সুলাকুড়া বিলে মাছ মেরে বৌ বাচ্ছা নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতাম কিন্তু বর্তমানে এলাকার কিছু প্রভাবশালী জোরপূর্বক মাছ চাষ করায় আমরা মানবেতর জীবন যাপন করছি।

অভিযোগকারী অনুপ কুমার চংদার (টুটুল) বলেন উক্ত বিলে আমার বাবার ৪০বিঘা পৈতৃক সম্পত্তি ও বিলের মধ্যে থাকা একটি পুকুর এবং এলাকাবাসীর আরো প্রায় ৫০ বিঘা জমি বিবাদীগন জোরপূর্বক দখল করে নিয়েছে।আমি এলাকার গরিব দুঃখী ও মেহনতী মানুষের চিন্তা করে উক্ত বিলটি উন্মুক্তের দাবী জানাচ্ছি।

সরেজমিনে ঘটনা স্থলে গিয়ে জানা যায় বাগমারা থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তাক আহম্মেদ সুলাকুড়া বিল পরিদর্শন করেন এবং উক্ত সমস্যা সমাধানের জন্য গোবিন্দপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান বিজন সরকারকে দায়িত্ব দিয়েছেন।