বাংলাদেশ, ১লা জুন, ২০২০ ইং। সর্বশেষ আপডেট: ৫ ঘন্টা আগে
সর্বশেষ
  ||> ঝালকাঠিতে করোনা ভাইরাস সংক্রমনের ঝুঁকি রোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে পথ প্রচার  ||> ঝালকাঠি সদর উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে লঞ্চ যাত্রীদের শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা  ||> জেলায় জেলায় রক্তযোদ্ধাদের সংগঠন প্রতিক্ষনের ভিন্নধর্মী প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন  ||>   ||> ঝালকাঠিতে নবজাতকের লাশ উদ্ধার  ||> রাজাপুরে গ্রামে এসে ঢাবি শিক্ষার্থীর মাস্তানিতে এলাকাবাসী আতংকিত  ||> PBRB-এর ১২ তম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে পটুয়াখালী জেলার বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি  ||> করোনা তহবিলে ঈদ সালামির টাকা দান করলেন জুই  ||> মাস্ক না পরে বের হলেই ছয় মাসের কারাদণ্ড বা লাখ টাকা জরিমানা  ||>   ||> হাতীবান্ধায় পরিক্ষায় ফেল করায় আত্মাহত্যা ১ ছাত্রীর  ||> খুলনা রেঞ্জের ১০ টি জেলার সাথে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মাসিক অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত।  ||>   ||> অনলাইন পত্রিকাগুলো করোনাকালে দায়িত্বশীল ভুমিকা রাখছে  ||> ঝালকাঠিতে ছাগলে গাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে বৃদ্ধকে লাঞ্ছিত, যুবককে গণধোলাই  ||>   ||> ঝালকাঠিতে উপজেলা আওয়ামী লীগ অফিস কেয়ারটেকার সন্ত্রাসি হামলার শিকার  ||> রেকর্ড ৪০ জনের মৃত্যু করোনায়, নতুন শনাক্ত ২৫৪৫  ||> কাল থেকে এসএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন শুরু  ||> এসএসসি-সমমানে পাসের হার ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ

Dabanol 24


বার কাউন্সিল পরীক্ষা প্রস্তুতি ২০১৯ (পর্ব-১৭)

সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯ ২:৪৪ অপরাহ্ণ

বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি- ধারা-৮৯ক-৮৯ঙ

২০০৩ সালে দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ সংশোধন করার মাধ্যমে দেওয়ানী মোকদ্দমায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির ধারণা (ধারা ৮৯ক এবং ৮৯খ) যোগ করা হয়। তখন এই বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি কেবল মূল মোকদ্দমার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ছিলো।

পরবর্তীতে ২০০৬ সালে দেওয়ানী কার্যবিধিতে আবার সংশোধনীর মাধ্যমে ৮৯গ যোগ করা হয়, ফলে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি আপীল পর্যায়ে করার সুযোগ হয়।

অতঃপর, ২০১২ সালে দেওয়ানী কার্যবিধির বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিষয়ে নতুন দুটি ধারা (৮৯ঘ এবং ৮৯ঙ) যোগ করা হয় এবং পূর্বের ধারাসমূহের (৮৯ক-৮৯গ) সংশোধনী আনা হয়। ২০১২ সালের সংশোধনীতে ৮৯ক ধারা ১ উপধারা এবং ৮৯গ ধারার ১ উপধারা সংশোধন করে মূল মোকদ্দমা এবং আপীলের ক্ষেত্রে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তিকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

সর্বশেষ, ২০১৭ সালের ২৫ জানুয়ারিতে আইনগত সহায়তা আইন, ২০০০ এর ২১ক ধারার অধীন লিগ্যাল এইড অফিসারের নিকট বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষমতাকে ব্যবহার উপযোগী করা জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারাতে সংশোধনী আনা হয়।

বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির পন্থাসমূহ-

দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী দুইটি পন্থাতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়ে থাকে-
ক. মধ্যস্থতা;
খ. সালিসী।

ক. মধ্যস্থতা-

মধ্যস্থতা আবার দুইটি পর্যায়ে হয়ে থাকে-
১. মূল মোকদ্দমা (ধারা-৮৯ক);
২. আপীল (ধারা-৮৯গ)।

১. মূল মোকদ্দমায় মধ্যস্থতা-(ধারা-৮৯ক)

মূল মোকদ্দমার ক্ষেত্রে মধ্যস্থার বিধান সমূহ সংক্ষেপে নিম্নে দেওয়া হল-
* এই কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার বিধান অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর জন্য প্রযোজ্য নয়। অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এ বিশেষ মধ্যস্থতার বিধান আছে (ধারা ২১-২৫)।
* ২০১২ সালের সংশোধনীর পর আদালত বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য পাঠাতে বাধ্য।
* মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। পক্ষগণ ফি নির্ধারণে ব্যর্থ হলে, আদালত নির্ধারণ করে দিবে এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।
* পক্ষগণ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ (দশ) দিনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। উক্ত উক্ত সময়ের মধ্যে নিয়োগে ব্যর্থ হলে, আদালত পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবেন। অর্থ্যাৎ সর্বাধিক ১৭ (সতের) দিনর মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।
* মধ্যস্থতাকারী ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবেন, তবে আদালত নিজে কিংবা পক্ষগণের আবেদনে ৩০ (ত্রিশ) দিন সময় বাড়াতে পারে। অর্থ্যাৎ সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) দিন।
* সমঝোতা প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা সোলে ডিক্রি জারী করবেন।
* মধ্যস্থতার মাধ্যমে আদালত কোন আদেশ বা সোলে ডিক্রি, আপীল বা রিভিশনযোগ্য নয়।

২. আপীল পর্যায়ে মধ্যস্থতা- ধারা-৮৯গ

আদালত যেকোন আপীলকে মধ্যস্থতার জন্য প্রেরণ করতে পারেন যদি-
* উক্ত আপীলটি আদেশ-৪১ এর অধীন কোন আদি মোকদ্দমার ডিক্রি হয়;
* মূল/আদি মোকদ্দমা প্রতিদ্ব›দ্বীতা করেছেন এমন পক্ষগণের মধ্যে হয়;
* আপীল পর্যায়ের মধ্যস্থতা করার ক্ষেত্রেও মূল মোকদ্দমার মধ্যস্থতার পদ্ধতি অনুসরণযোগ্য।

খ. সালিশী- ধারা- ৮৯খ

* মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে সালিশীর জন্য আবেদন করা যায়।
* কোন মোকদ্দমা সালিশীর মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে চাইলে, পক্ষগণ আদালতের নিকট সালিশী নিষ্পত্তি করার অভিপ্রায় জানিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহারের আবেদন জানাবে।
* আদালতের নিকট আবেদন জানালে, আদালত মোকদ্দমা প্রত্যাহারের অনুমতি দিবেন।
* সালিশী আবেদনটি, সালিশী আইন, ২০০১ অনুযায়ী সালিশের চুক্তি হিসাবে গণ্য হবে।
* সালিশী কার্যক্রম যতদুর সম্ভব ‘সালিশী আইন, ২০০১’ অনুসারে পরিচালিত হবে।

পাঠকের মতামত:

[wpdevart_facebook_comment facebook_app_id="322584541559673" curent_url="" order_type="social" title_text="" title_text_color="#000000" title_text_font_size="22" title_text_font_famely="monospace" title_text_position="left" width="100%" bg_color="#d4d4d4" animation_effect="random" count_of_comments="3" ]