বাংলাদেশ, ২৩শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং। সর্বশেষ আপডেট: ২ ঘন্টা আগে
সর্বশেষ
  ||> ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলার রায় কাল  ||> রাজাপুর নারিকেলবাড়ীয়ায় মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট এর শুভ উদ্বোধন  ||> ক্যাসিনোকাণ্ডের পর হুইপ-এমপিসহ বিদেশ যেতে মানা যাদের  ||> বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক ঐক্য পরিষদের ডাকে, ঢাকা যাচ্ছেন রাজাপুর উপজেলার ঐক্য পরিষদের সদস্যরা।  ||> রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার দাবানল ২৪.কম এর নির্বাহী সম্পাদক কাজী ইরান  ||> সাংবা‌দিক‌দে ঐক্যবদ্ধতার বিকল্প নেই- ছাত‌কে বিএমএসএফ নেতৃবৃন্দ  ||> রক্ষক যখন ভক্ষক তখন মানুষের শেষ আশ্রয় স্হল কোথায়??  ||> ঝালকাঠিতে জাকের পার্টি ছাত্রফ্রন্টের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত  ||> ঝালকাঠিতে বঙ্গবন্ধু প্রজন্মলীগ'র কমিটি গঠন। সভাপতি: সাজ্জাদ সম্পাদক: তালাল  ||> ঝালকাঠিতে জেলা পুলিশের আয়োজনে নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত  ||> ঝালকাঠিতে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত  ||> ঝালকাঠিতে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত  ||> ফেসবুকে উস্কানিমূলক বক্তব্য, খুলনায় সাংবাদিক গ্রেপ্তার  ||> সিলেট যাচ্ছেন ‘খালেদা জিয়া’  ||> ঝালকাঠি জেলার নবাগত অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে শুভেচ্ছা!  ||> ঝালকাঠিতে সুমন তালুকদারের ব্যতিক্রমী উদ্দোগ  ||> ময়মনসিংহের সেই লাগেজে মিলল মাথাবিহীন মরদেহ  ||> ভোলায় নিহতদের দাফন সম্পন্ন  ||>   ||> হাটহাজারীতে মন্দির রক্ষা করলো মাদ্রাসা ছাত্ররা

Dabanol 24


বার কাউন্সিল পরীক্ষা প্রস্তুতি ২০১৯ (পর্ব-১৭)

সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯ ২:৪৪ অপরাহ্ণ

বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি- ধারা-৮৯ক-৮৯ঙ

২০০৩ সালে দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ সংশোধন করার মাধ্যমে দেওয়ানী মোকদ্দমায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির ধারণা (ধারা ৮৯ক এবং ৮৯খ) যোগ করা হয়। তখন এই বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি কেবল মূল মোকদ্দমার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ছিলো।

পরবর্তীতে ২০০৬ সালে দেওয়ানী কার্যবিধিতে আবার সংশোধনীর মাধ্যমে ৮৯গ যোগ করা হয়, ফলে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি আপীল পর্যায়ে করার সুযোগ হয়।

অতঃপর, ২০১২ সালে দেওয়ানী কার্যবিধির বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিষয়ে নতুন দুটি ধারা (৮৯ঘ এবং ৮৯ঙ) যোগ করা হয় এবং পূর্বের ধারাসমূহের (৮৯ক-৮৯গ) সংশোধনী আনা হয়। ২০১২ সালের সংশোধনীতে ৮৯ক ধারা ১ উপধারা এবং ৮৯গ ধারার ১ উপধারা সংশোধন করে মূল মোকদ্দমা এবং আপীলের ক্ষেত্রে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তিকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

সর্বশেষ, ২০১৭ সালের ২৫ জানুয়ারিতে আইনগত সহায়তা আইন, ২০০০ এর ২১ক ধারার অধীন লিগ্যাল এইড অফিসারের নিকট বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষমতাকে ব্যবহার উপযোগী করা জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারাতে সংশোধনী আনা হয়।

বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির পন্থাসমূহ-

দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী দুইটি পন্থাতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়ে থাকে-
ক. মধ্যস্থতা;
খ. সালিসী।

ক. মধ্যস্থতা-

মধ্যস্থতা আবার দুইটি পর্যায়ে হয়ে থাকে-
১. মূল মোকদ্দমা (ধারা-৮৯ক);
২. আপীল (ধারা-৮৯গ)।

১. মূল মোকদ্দমায় মধ্যস্থতা-(ধারা-৮৯ক)

মূল মোকদ্দমার ক্ষেত্রে মধ্যস্থার বিধান সমূহ সংক্ষেপে নিম্নে দেওয়া হল-
* এই কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার বিধান অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর জন্য প্রযোজ্য নয়। অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এ বিশেষ মধ্যস্থতার বিধান আছে (ধারা ২১-২৫)।
* ২০১২ সালের সংশোধনীর পর আদালত বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য পাঠাতে বাধ্য।
* মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। পক্ষগণ ফি নির্ধারণে ব্যর্থ হলে, আদালত নির্ধারণ করে দিবে এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।
* পক্ষগণ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ (দশ) দিনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। উক্ত উক্ত সময়ের মধ্যে নিয়োগে ব্যর্থ হলে, আদালত পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবেন। অর্থ্যাৎ সর্বাধিক ১৭ (সতের) দিনর মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।
* মধ্যস্থতাকারী ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবেন, তবে আদালত নিজে কিংবা পক্ষগণের আবেদনে ৩০ (ত্রিশ) দিন সময় বাড়াতে পারে। অর্থ্যাৎ সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) দিন।
* সমঝোতা প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা সোলে ডিক্রি জারী করবেন।
* মধ্যস্থতার মাধ্যমে আদালত কোন আদেশ বা সোলে ডিক্রি, আপীল বা রিভিশনযোগ্য নয়।

২. আপীল পর্যায়ে মধ্যস্থতা- ধারা-৮৯গ

আদালত যেকোন আপীলকে মধ্যস্থতার জন্য প্রেরণ করতে পারেন যদি-
* উক্ত আপীলটি আদেশ-৪১ এর অধীন কোন আদি মোকদ্দমার ডিক্রি হয়;
* মূল/আদি মোকদ্দমা প্রতিদ্ব›দ্বীতা করেছেন এমন পক্ষগণের মধ্যে হয়;
* আপীল পর্যায়ের মধ্যস্থতা করার ক্ষেত্রেও মূল মোকদ্দমার মধ্যস্থতার পদ্ধতি অনুসরণযোগ্য।

খ. সালিশী- ধারা- ৮৯খ

* মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে সালিশীর জন্য আবেদন করা যায়।
* কোন মোকদ্দমা সালিশীর মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে চাইলে, পক্ষগণ আদালতের নিকট সালিশী নিষ্পত্তি করার অভিপ্রায় জানিয়ে মোকদ্দমা প্রত্যাহারের আবেদন জানাবে।
* আদালতের নিকট আবেদন জানালে, আদালত মোকদ্দমা প্রত্যাহারের অনুমতি দিবেন।
* সালিশী আবেদনটি, সালিশী আইন, ২০০১ অনুযায়ী সালিশের চুক্তি হিসাবে গণ্য হবে।
* সালিশী কার্যক্রম যতদুর সম্ভব ‘সালিশী আইন, ২০০১’ অনুসারে পরিচালিত হবে।

Facebook Comments

পাঠকের মতামত: