বাংলাদেশ, ১৮ই জানুয়ারি, ২০২০ ইং। সর্বশেষ আপডেট: ১৬ ঘন্টা আগে
সর্বশেষ
  ||> ঝালকাঠি রাজাপুরে শীতলপাটি উন্নয়ন মূলক সমবায় সমিতির ঘরে ডিআইজির মতবিনিময় সভা  ||> যেসব বই পড়ে ডিগ্রি দেয়া হচ্ছে তা কর্মজীবনে কাজে আসছে না  ||> দেশবাংলা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম  ||> লক্ষ্মীপুরের সাংবাদিক দম্পত্তির ওপর হামলার ঘটনায় বিচার দাবি করছে বিএমএসএফ  ||> ফের কাঁপাবে শীত ঝরবে বৃষ্টি, দুঃসংবাদ আবহাওয়ার  ||> নানা অজুহাতে বাড়ছে দাম, অস্থির ভোজ্যতেলের বাজার  ||> বঙ্গবন্ধু বিপিএলের শিরোপা লড়াই আজ  ||> ঝালকাঠিতে আন্ত: প্রাথমিক বিদ্যালয় বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত  ||> অস্ত্র ও চাঁদাবাজিতে মিলনসহ গ্রেফতার-৬  ||> অস্ত্র ও চাঁদাবাজিতে মিলনসহ গ্রেফতার-৬  ||> সাতক্ষীরার পল্লীতে এই বৃদ্ধা আজও পাইনি বয়স্ক বা বিধবা ভাতার কার্ড  ||> সাতক্ষীরায় ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক মহিলা সদস্য লাঞ্ছিতের অভিযোগ  ||> উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক চা বিক্রেতা!  ||> সাতক্ষীরায় সাবেক চেয়ারম্যান মুক্তিযুদ্ধা আব্দুর রউফ'র ১৪তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত  ||> ঝালকাঠি নাগরিক ফোরামের ১০১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষনা  ||> ফৌজদারী আইনে খালেদা জিয়ার সাজা কমানোর সুযোগ নেই'  ||> সুন্দরবনের কৈখালী ফরেস্ট স্টেশন মাঝির লাশ উদ্ধার  ||> বাপের বয়সী স্বামী’, সৃজিতকে নিয়ে মুখ খুললেন মিথিলা!  ||> সাতক্ষীরা পুলিশের পৃথক অভিযানে ইয়াবা, ফেন্সিডিল ও গাঁজা সহ আটক -৩  ||> কীর্তনখোলা-ফারহান সংঘর্ষে নিহত ২

Dabanol 24


বার কাউন্সিল পরীক্ষা প্রস্তুতি ২০১৯ (পর্ব-৬)

সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৯ ৫:৪৬ অপরাহ্ণ

যে সকল দেওয়ানী মোকদ্দমা আদালত বিচারার্থে নিবেনা-

দেওয়ানী আদালতের সকল প্রকার এখতিয়ার থাকার সত্ত্বেও নিম্নোক্ত মোকদ্দমার বিচারার্থে নিবে না-
ক. বিচারাধীন মোকদ্দমা বা মোকদ্দমা স্থগিতকরণ- ধারা- ১০;
খ. দোবরা দোষযুক্ত মামলা-ধারা- ১১।

ক. বিচারাধীন মোকদ্দমা স্থগিতকরণ- ধারা- ১০

বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক পরিচালিত কোন আদালতে একই পক্ষগণের মধ্যে একই বিচার্য বিষয়ে কোন মোকদ্দমা বিচারাধীন থাকলে, পরবর্তীতে একই পক্ষের মধ্যে সরাসরি বা প্রকৃতপক্ষে একই বিচার্য বিষয় নিয়ে কোন মোকদ্দমা দায়ের করলে আদালত ঐরূপ দায়েরকৃত মোকদ্দমার বিচারকার্য নিষ্পন্ন করবেন না।

সংক্ষেপে এই ধারার শর্তসমূহঃ

১. মোকদ্দমাটি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক পরিচালিত আদালতে দায়ের করতে হবে;
২. মোকদ্দমাটি একই পক্ষদ্বয় বা পক্ষসমূহের মধ্যে হতে হবে;
৩. পরবর্তীতে একই পক্ষের মধ্যে নতুন মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে;
৪. পরবর্তী মোকদ্দমাটির বিচার্য বিষয় পূর্ববর্তী দায়েরকৃত মোকদ্দমার সাথে সরাসরি বা প্রকৃতপক্ষে একই রকমের হতে হবে।

বিঃদ্রঃ- পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি বিদেশী আদালতে দায়ের করা হলে, উক্ত মোকদ্দমার নিষ্পত্তি রেস-সাবজুডিস নীতি দ্বারা বাধাগ্রস্থ হবে না।

খ. দোবরা দোষযুক্ত মামলা- ধারা- ১১

এখতিয়ার সম্পন্ন কোন আদালত কর্তৃক চুড়ান্তভাবে কোন পূর্ববর্তী মোকদ্দমা নিষ্পত্তি হলে, পরবর্তীতে একই পক্ষের মধ্যে একই বিচার্য বিষয়ে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা হলে আদালত পরবর্তী মামলার বিচার করবেন না।

পূর্ববর্তী মোকদ্দমা-

১১ ধারার ব্যাখ্যা অনুযায়ী নিম্নোক্ত বিষয়গুলি পূর্ববর্তী মোকদ্দমা হিসাবে গণ্য হবে-
১. ‘পূর্ববর্তী মোকদ্দমা’ বলতে বোঝায় যার বিচার বর্তমান মোকদ্দমার আগেই হয়ে গেছে। তবে মোকদ্দমাটি পূর্বে দায়ের করা হয়েছে কিনা সে সম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবেনা।
২. এই ধারার উদ্দেশ্যে বিচার করার ক্ষমতা, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল‘কে অন্তর্ভূক্ত করবে না।
৩. বিচার্য বিষয়টি পূর্ববর্তী মোকদ্দমায় একপক্ষ কর্তৃক দাবীকৃত এবং অপর পক্ষ কর্তৃক প্রত্যক্ষ বা পরেক্ষভাবে স্বীকৃত হতে হবে।
৪. পূর্ববর্তী মোকদ্দমায় যে বিষয়টি ব্যবহার হতে পারতো বা হওয়া উচিত ছিলো, তা উক্ত মোকদ্দমার প্রত্যক্ষ ও মূল বিবেচ্য বিষয় বলে ধরে নিতে হবে।
৫. কোন প্রতিকার ডিক্রিতে সুষ্পষ্টভাবে মঞ্জুর না হলে, তা প্রত্যাখান করা হয়েছে ধরতে হবে।
৬. যখন একাধিক ব্যক্তি সরল সাধারণ অধিকার বা সকলের ব্যক্তিগত অধিকারে জন্য সরল বিশ্বাসে মোকদ্দমা দায়ের করে, তখন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সব লোক মোকদ্দমাকারীর সূত্রে স্বত্ব দাবী করছে বলে গণ্য হবে।

সংক্ষেপে এই ধারার শর্তসমূহঃ

১. মোকদ্দমাটি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক পরিচালিত আদালত কর্তৃক নিষ্পত্তি হতে হবে;
২. যে কোন একটি মোকদ্দমা আগে নিষ্পত্তি হতে হবে;
৩. মোকদ্দমাটি একই পক্ষের মধ্যে হতে হবে; এবং
৪. মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় প্রত্যক্ষ বা পরেক্ষভাবে একই হতে হবে।

বিঃদ্রঃ- দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা- ১২ অনুযায়ী, কার্যবিধি অনুসারে বাদী পুনারায় মামলা করতে বারিত হলে, দেওয়ানী কার্যবিধির বিধান প্রযোজ্য আদালতে একই বিষয় নিয়ে পুনারায় মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে না।

বিভিন্ন আইনে পুনঃবিচার-

কোন মামলা বা মোকদ্দমা একবার চুড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়ে গেলে একই বিষয় নিয়ে পুনারায় মামলা বা মোকদ্দমা করাকে নিষেধ করা হয়েছে। কয়েকটি আইনের উদাহরণ দেওয়া হল যেমন;
১. দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ১১ ধারা;
২. ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৪০৩ ধারা;
৩. সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ৪০ ধারা;
৪. বাংলাদেশ সংবিধান, ১৯৭২ এর ৩৫ অনুচ্ছেদ;
৫. জেনারেল ক্লজেজ এ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ২৬ ধারা ইত্যাদি।

কখন আদালত মামলার বিচার করতে অযোগ্য হবে- দেওয়ানী আদালত আইন ধারা- ৩৮

দেওয়ানী আদালত আইনের ৩৮ ধারার বিধান অনুযায়ী, কোন মোকদ্দমার বিচারকারীর নিজের স্বার্থ জড়িত থাকলে, উক্ত বিচারক উক্ত মামলার বিচার করার অযোগ্য হবেন। উক্ত বিচারক তার স্বার্থের বিষয়টি নিয়ন্ত্রনকারী আদালতকে জানাবে এবং নিয়ন্ত্রণকারী আদালত মোকদ্দমাটি অন্য আদালতে প্রেরণ করার ব্যবস্থা করবেন।

Facebook Comments

পাঠকের মতামত: