বাংলাদেশ, ১৭ই নভেম্বর, ২০১৯ ইং। সর্বশেষ আপডেট: ৬ ঘন্টা আগে
সর্বশেষ
  ||> পেঁয়াজের পর এবার চালের বাজারে আগুন  ||> ৫৫ টাকার বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করলেই জরিমানা  ||> নোয়াখালীতে মার্কেটে ভয়াবহ আগুন  ||> ঝালকাঠিতে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) ৪৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত  ||> নলছিটিতে গৃহবধুকে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি  ||> ঝালকাঠিতে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভা !  ||> ঝালকাঠির রাজাপুরে অন্যের জমি দখল করে আজব বিদ্যালয় শিক্ষার্থী না থাকলেও এমপিও ভুক্ত স্কুলে শিক্ষক-কর্মচারী ৮  ||> ভূমি জরিপ: CS, RS, PS, BS সমন্ধে জেনে রাখুন  ||> ঝালকাঠি কুতুবনগর মাদ্রাসায় অপসংস্কৃতির মোকাবেলায় ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ধর্মপ্রাণ মুসল্লীদের ঢল  ||> ঝালকাঠিতে সামাজিক সংগঠন ৭১'র চেতনার আলোচনা সভা !  ||> ছাত্রলীগ নেতা নাদিম মাহমুদ এর আয়োজনে আমির হোসেন আমুর ৭৮ তম জন্মদিন পালিত!  ||> নকল নে‌বেন, টাহা দে‌বেন-সেরেস্তাদার রেখা  ||> ট্রাকভর্তি ভারতীয় পেঁয়াজসহ দুইজন ধরা  ||> বাংলাদেশ 'ঘুষ' ঝুঁকিতে প্রথম  ||>   ||> ঝালকাঠির কৃতি সন্তান, সাবেক শিল্পমন্ত্রী দক্ষিন বাংলার সিংহ পুরুষ আলহাজ্ব আমির হোসেন আমুর জন্মদিন আজ।  ||> ক্রাপ প্রোডাক্টস্ কম্পানি বেতন ভাতা না দিয়া চাকুরি থেকে বের করা দিয়ে নির্যাতন চালায় এমন অভিযোগ তুলেছেন ঝালকাঠি রাজাপুর উপজেলা মোঃ আমিনুল ইসলাম।  ||> আশিকুর রহমান-ইন্দ্রানী বনিকের বিয়ের পথে বাধা পরিবার ঝালকাঠিতে মামা বাড়ীতে আটকে রাখার অভিযোগে মামলা  ||> নলছিটিতে মাদ্রাসার ঘাটলা নির্মানে অনিয়ম, হস্তান্তরের আগেই ফাটল  ||> গাছ ব্যবসায়ী ভাঙলেন বৈদ্যুতিক খাম্বা, বিদ্যুতহীন নলছিটির তিন গ্রামের মানুষ

শিক্ষা

ভিসিসহ গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য থাকায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত

দায়িত্বপূর্ণ পদগুলো খালি থাকায় বড় ধরনের প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে গত পাঁচ মাস ধরে উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক পদই শূন্য। ছয়টি অনুষদের মধ্যে ...

বার কাউন্সিল পরীক্ষা প্রস্তুতি ২০১৯ (পর্ব-১৮)

মোকদ্দমা স্থানান্তর এবং কার্য হস্তান্তর- দেওয়ানী মামলা স্থানান্তর বা প্রত্যাহার- আদালত পক্ষগণের অনুমতি না নিয়েও ন্যায় বিচারের স্বার্থে মোকদ্দমা স্থানান্তর করতে পারেন। জেলা জজ আদালত দেওয়ানী আদালত আইন, ১৮৭৭ ...

সারা বিশ্ব

রোহিঙ্গা নির্যাতনের তদন্ত শুরু করতে আইসিসির কাছে তদন্তের আবেদন

মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নির্যাতন ও তাদের পালিয়ে যেতে বাধ্য করার ঘটনার আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করতে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত-আইসিসির বিচারকদের কাছে অনুমতি চেয়েছেন কৌঁসুলি ফাতু বেনসুদা। বৃহস্পতিবার তিনি আইসিসিকে এ বিষয়ে ...

মায়ের দেয়া ২০০ টাকায় সাদিয়া এখন পুলিশ

দুলাভাইয়ের দেয়া ২০০ টাকা দিয়ে পুলিশে আবেদন করি। যেদিন পুলিশ লাইন্সে দাঁড়াব সেদিন অন্যের বাড়িতে কাজ করে ২০০ টাকা এনে দেন মা। ওই টাকা নিয়ে নাটোরে গিয়ে পুলিশ লাইন্সে ...

Photo Gallery

  • ডিক্রি

    ডিক্রির প্রকার-
    ডিক্রি দুই প্রকার হতে পারে-১. প্রাথমিক ডিক্রি ২. চুড়ান্ত ডিক্রি

    প্রাথমিক ডিক্রি- ডিক্রি তখনই প্রাথমিক হয়, যখন মামলার চুড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য আরও ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন থাকে।

    চুড়ান্ত ডিক্রি- যে ডিক্রির মাধ্যমে মামলা চুড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়, তাকে চুড়ান্ত ডিক্রি বলে।

    একই মামলায় দুইটা ডিক্রির উদাহরণ-

    একই মামলাতে দুইটা ডিক্রি হতে পারে সেক্ষেত্রে প্রথম ডিক্রিটি হবে প্রাথমিক ডিক্রি এবং দ্বিতীয় ডিক্রিটি চুড়ান্ত ডিক্রি হয়। যেমন; স্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারা মোকদ্দমায় দুইটি ডিক্রি (প্রাথমিক এবং চুড়ান্ত) হয়।

    ডিক্রির বিরুদ্ধে প্রতিকার-

    ডিক্রির বিরুদ্ধে কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী আপীল, আপীল না করলে ১১৪ ধারা অনুযায়ী পুনঃবিবেচনা এবং ১১৫ ধারা অনুযায়ী রিভিশন করা যায়।

    ডিক্রি জারীর আবেদনের তামাদি-

    ডিক্রি পাওয়ার পরে ডিক্রি জারীর জন্য নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আদালতে আবেদন করতে হয়। দেওয়ানী কার্যবিধির নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতিত অন্যান্য ক্ষেত্রে আবেদন করার মেয়াদ ১২ (বার) বছর, তবে দায়িক প্রতারণা বা বলপ্রয়োগ করে ডিক্রি জারীতে বাধা প্রদান করলে ১২ (বার) বছর সময়সীমার পরও আদালত ডিক্রি জারীর আবেদন আমলে নিতে পারে [ধারা- ৪৮]। দেওয়ানী কার্যবিধির ২১ নং আদেশ ডিক্রি জারী সংক্রান্ত। আবার, তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৮২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, দেওয়ানী আদালতের যে ডিক্রি জারীর বিধান দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারাতে নাই তা জারীর জন্য আবেদন করতে হবে-
    ১. ৩ (তিন) বছরের মধ্যে; বা
    ২. যেখানে ডিক্রি বা আদেশের কপি রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে ৬ (ছয়) বছরের মধ্যে।

    অন্যদিকে, তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৮৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক সাধারণ আদি দেওয়ানী এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ অথবা সুপ্রিম কোর্টের আদেশ কার্যকর করার জন্য ১২ বছরের মধ্যে আবেদন দাখিল করতে হবে।

    বিঃদ্রঃ অর্থের ডিক্রি জারীর আবেদন মৌখিকভাবেও করা যায়।

    ডিক্রি জারীর পদ্ধতি- জারী
    দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা- ৫১ অনুযায়ী, নিম্নে বর্ণিত যে কোন উপায়ে ডিক্রি জারী করা হয়-

    ১. ডিক্রিভুক্ত কোন সম্পত্তি ডিক্রিদারের দখলে অর্পণ করে;
    ২. কোন সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম বিক্রি অথবা বিনা ক্রোকে নিলাম বিক্রি করে;
    ৩. দেনাদারকে গ্রেফতার ও দেওয়ানী কারাগারে আটকের মাধ্যমে;
    ৪. রিসিভার নিয়োগ করে;
    ৫. প্রয়োজননানুসারে অন্য কোন উপায়ে।

    তবে আদালত অর্থ পরিশোধের ডিক্রির ক্ষেত্রে দেনাদারকে আটকের আদেশ দেওয়ার পূর্বে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিবে। নিম্নোক্ত কারণে আদালত দেওয়ানী আটকাদেশ দিতে পারে-

    ১. দেনাদার ডিক্রি জারীতে বাধাদান বা বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে-

    ক. আত্মগোপন বা সংশ্লিষ্ট আদালতের এখতিয়ারভূক্ত এলাকা ত্যাগ করতে পারে;
    খ. ডিক্রি প্রদানের পর অসাধুপায়ে কোন সম্পত্তি হস্তান্তর বিনষ্ট বা অপসারিত করলে।

    ২. ডিক্রির তারিখে বা তার পরবর্তী সময়ে অর্থ পরিশোধের ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও পরিশোধে অবহেলা বা অস্বীকার করলে;

    ৩. অর্থ ডিক্রির জন্য দেনাদারের দায়িত্ব বিশ্বাসপূর্বক ন্যাস্ত থাকলে।

    ডিক্রি জারী স্থগিত রাখা-

    আপীলযোগ্য ডিক্রির বিরুদ্ধে আপীল দায়েরের পূর্বেই উক্ত ডিক্রি স্থগিতের জন্য ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে আবেদন দাখিল করা যায় [আদেশ-৪১, বিধি- ৫(২)]।

    রায়, ডিক্রি ও আদেশের মধ্যে পার্থক্য-

    রায়-
    ডিক্রি বা আদেশের ভিত্তি হিসাবে বিচারক যে বিবৃতি দেন তাকে রায় বলে। সংজ্ঞা দেয়া আছে ধারা-২(৯) এ। এর শ্রেণী বিন্যাস নাই। রায়ে মোকদ্দামার বিবরণ, বিচার্য বিষয়, আদালতের সিদ্ধান্ত এবং যুক্তি উপস্থাপন থাকে। প্রকাশ্য আদালতে ঘোষনা হতে হবে। রায়ের মাধ্যমে তর্কিত বিষয় চুড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়ে যায়। রায় আপীলযোগ্য।
    ডিক্রি-
    আদালতের রীতিসিদ্ধ সিদ্ধান্ত, যা তর্কাতীতভাবে মোকদ্দামার তর্কিত বিষয়ে পক্ষসমূহের অধিকার নির্ধারণ করে। ডিক্রির সংজ্ঞা দেয়া আছে ধারা- ২(২) এ। দুটি শ্রেণী- প্রাথমিক ডিক্রি ও চুড়ান্ত ডিক্রি। পক্ষগণের নাম, বিষয়বস্তু, খরচ, রায় ঘোষনার তারিখ, স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে তফসিল বর্ণনা ইত্যাদি উল্লেখ থাকে। প্রকাশ্য আদালতে ঘোষনার প্রয়োজন নেই। ডিক্রির মাধ্যমেও তর্কিত বিষয় চুড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়ে যায়। ডিক্রিও আপীলযোগ্য।
    আদেশ-
    দেওয়ানী আদালতের এমন কোন আনুষ্ঠানিক নির্দেষ যা ডিক্রি নয় তাকে আদেশ বলে। সংজ্ঞা দেয়া আছে ধারা- ২(১৪) এ। এর শ্রেণী বিন্যাস নাই।মামলা চলাকালীন সময়ে মোকদ্দামার স্বার্থে আদালতের যে কোন আদেশ-র বর্ণনা থাকে। অনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রকাশিত হবে। আদেশে কোন বিষয় চুড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয় না। আইনে উল্লেখ আদেশের বিরুদ্ধে আপীল হয়।

    লেখক: এ্যাডভোকেট মোঃ আবুল কালাম আজাদ আইন উপদেষ্টা দাবানল২৪

    Facebook Comments
  • কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ সংজ্ঞা-

    ডিক্রি- ধারা- ২(২)

    ডিক্রি বলতে কোন আদালতের আনুষ্ঠানিক/রীতিসিদ্ধ সিদ্ধান্ত, যা তর্কাতীতভাবে মোকদ্দামার বিতর্কিত সমগ্র বা যে কোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষসমূহের অধিকার নির্ধারণ করে। এটি প্রাথমিক কিংবা চুড়ান্ত ডিক্রি হতে পারে।

    ১. ডিক্রি আদালতের রীতিসিদ্ধ সিদ্ধান্ত;
    ২. ডিক্রি মোকদ্দামার বিতর্কিত সমগ্র কিংবা যে কোন বিষয় সম্পর্কে মোকদ্দামার পক্ষগণের অধিকার চুড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে।

    আরজি খারিজ প্রত্যাখান এবং ১৪৪ ধারার (পুনরুদ্ধার) অধীন মিমাংসিত প্রশ্নও ডিক্রি হিসাবে গণ্য হবে। তবে এটা নিম্নোক্ত বিষয়কে অর্ন্তভূক্ত করবে না-

    ১. যে কোন বিচারিক সিদ্ধান্ত বা আদালতের আদেশ যার বিরুদ্ধে আদেশ হিসাবে বা আদেশের মত আপীল করা যায়।
    ২. ব্যর্থতার কারণে কোন খারিজ আদেশ।

    আরজি প্রত্যাখান-

    আরজি প্রত্যাখান আদেশ ধারা- ২(২) অনুযায়ী ডিক্রি। দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৭ এর ১১ বিধি অনুযায়ী ৪ (চার) টি কারণে আরজি প্রত্যাখান হতে পারে-

    ১. মোকদ্দামার কারণ প্রকাশ না করলে;
    ২. দাবীর মূল্যমান কম দেখালে এবং নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তা শুদ্ধ করতে ব্যর্থ হলে;
    ৩. কম মূল্যমানের স্ট্যাম্প ব্যবহার করলে এবং নির্ধারিত সময়সীমার মোতাবেক অতিরিক্ত স্ট্যাম্প কাগজ সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে;
    ৪. আইন দ্বারা বারিত হলে। যেমন; তামাদির অতিক্রান্তে মোকদ্দমা দায়ের হলে।

    বিঃদ্রঃ-
    মোকদ্দামার সঠিক মূল্যমান অথবা প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প দাখিলের জন্য আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমা ২১ (একুশ) দিনের বেশি হবে না।

    ডিক্রিদার- ধারা- ২(৩)

    আদালত যে ব্যক্তির পক্ষে ডিক্রিজারীর আদেশ দেয়, সে ব্যক্তিকে ডিক্রিদার বলে। তবে ডিক্রিদার মারা গেলে বা অক্ষমতার স্বীকার হলে, তার আইনানুগ প্রতিনিধি তার স্থলাভিষিক্ত হবে।

    দায়িক- ধারা- ২(১০)

    আদালত যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডিক্রিজারীর আদেশ দেয়, সে ব্যক্তিকে দায়িক বলে। তবে দায়িক মারা গেলে বা কোন কারণে অক্ষমতার স্বীকার হলে তার আইনানুগ প্রতিনিধি তার স্থলাভিষিক্ত হবে।

    আইনানুগ প্রতিনিধি- ধারা- ২(১১)

    দেওয়ানী কার্যবিধির ২(১১) ধারার অনুযায়ী নিম্নোক্ত ৫ (পাঁচ) ব্যক্তি আইনানুগ প্রতিনিধি হিসাবে গণ্য হবে-

    ক. যে ব্যক্তি আইনত মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রতিনিধিত্ব করে;
    খ. যিনি মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি পরিচালনা করেন;
    গ. যিনি প্রতিনিধি হিসাবে মামলা করেন;
    ঘ. প্রতিনিধি হিসাবে যার বিরুদ্ধে মামলা করা যায় এবং
    ঙ. মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি যার উপর বর্তায়।

    বিদেশী আদালত এবং রায়- ধারা- ২(৫) এবং ২(৬)
    দেওয়ানী কার্যবিধির ২(৫) অনুযায়ী বিদেশী আদালত বলতে সেই আদালতকে বোঝায় যা-
    ১. বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থিত;
    ২. যার উপর বাংলাদেশের কর্তৃত্ব নেই;
    ৩. যা বাংলাদেশ সরকার স্থাপন করেনি বা বহাল রাখেনি;

    দেওয়ানী কার্যবিধির ২(৬) ধারা অনুযায়ী, বিদেশী রায় বলতে বিদেশী আদালতের রায়কে বোঝাবে।

    সরকারি উকিল- ধারা- ২(৭)

    দেওয়ানী কার্যবিধির ২(৭) ধারা অনুযায়ী, সরকারি উকিল হল-

    ১. দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দায়িত্ব পালনের জন্য সরকার কর্তৃক নিযুক্ত অফিসার; এবং
    ২. নিযুক্ত অফিসারের নির্দেষে কার্যরত অন্য কোন উকিল।

    উকিল- ধারা- ২(১৫)

    যে ব্যক্তি অপরের পক্ষে আদালতে উপস্থিত হবার ও যুক্তিতর্ক পেশ করার অধিকারী তাকে উকিল বলে।

    অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা- ধারা- ২(১২)

    বে-আইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে মুনাফা লাভ করেছে বা বে-আইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে মুনাফা লাভ করতে পারতো, সুদ সমেত সেই মুনাফাকে অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা বলে। তবে বে-আইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি কতৃর্ক সম্পত্তিতে উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা অর্জন হলে তা অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা বলে গণ্য হবে না। অর্থ্যাৎ স্বাভাবিক মুনাফা + সুদ = অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা।

    লেখক: এ্যাডভোকেট মোঃ আবুল কালাম আজাদ আইন উপদেষ্টা দাবানল২৪

    Facebook Comments
  • আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি কাজেই মানুষের পরিচয় মেলে। আসুৃন, আমরা কোন না কোন ভাল কাজের দ্বারা মানুষ হিসেবেই পরিচিত হই। একজন সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত হই। ১৪ দফা একটি ভাল কাজের নাম। আর সেই ১৪ দফা বিএমএসএফ’র দাবি। সাংবাদিকদের প্রাণের দাবি। আপনিও যদি একজন সাংবাদিক। তাহলে বিরোধীতা নেই। এই ১৪ দফা দাবি বাস্তবায়নের মধ্যে লুকিয়ে আছে একজন সাংবাদিকের পেটের ক্ষুধা, কর্মস্থলে নিরাপত্তা-নিশ্চয়তা, পেশার মর্যাদা এবং কল্যান। আপনি যখন একজন পেশাদার সাংবাদিক। তবেই আপনাকে জেগে ওঠতে হবে এই দাবি বাস্তবায়নের জন্য। আপনি বিএমএসএফ’র একজন গর্বিত সদস্য। আপনি আর ৭জন সাংবাদিকের মত নয়। হতে পারেন না। কারন; বিএমএসএফ কিছুটা ব্যতিক্রম সংগঠন।

    ইতিমধ্যে, ৭ বছর বয়সী শিশু সংগঠন ৮ বছরে পথচলা বিএমএসএফ অন্য আর ৫টি সংগঠনের চেয়ে ব্যতিক্রমী দাবি নিয়ে মাঠে কাজ করছে। সাংবাদিকদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে দাবির প্রতি জনমত সৃষ্টি করে চলছে অবিরত। দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলায় আমরা ছুটে চলছি ১৪ দফা দাবি বাস্তবায়নের বোঝা নিয়ে। কিছু কিছু জেলা উপজেলায় গিয়ে ওই বোঝার কিছুটা আপনাদের ঘাড়ে দিয়েও আসছি। কেউ কেউ মহাখুুশিও। আবার কেউবা বেজাড়। তবুও আমরা পিছপা নই।

    আমাদের দাবি পৌঁছে দিয়েছি জাতিরজনকের কাছে। তিনি যেখানে ঘুমিয়ে আছেন মহাসুখে। গাছঘেরা ছায়া সুনিবিড় টুঙ্গিপাড়ায় আমরা তাকে কিছু সময়ের জন্য ঘুম ভাঙ্গিয়ে ছিলাম। নালিশ দিয়ে এসেছি আপনার সাংবাদিকরা আজ মর্যাদাহীন একটি ক্ষুধার্ত পেশায় পরিনত হয়েছে। এদেশের গণমাধ্যম গুলো আজ ‘ফসলের পাশের বেড়ায় পরিনত হয়েছে। বেশিরভাগ পত্রিকা- টিভির মালিকরা তার কোম্পানীর সাংবাদিকদের ক্যাডার কিংবা সৈন্য হিসেবে চালায়। সরকারের ওয়েজবোর্ড তারা বোঝেন না। আপনার হাতে গড়া ১৯৭৪ সালের বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল নামের প্রতিষ্ঠনটি আজ বুড়ো হয়ে গেছে। অথচ আজো তারা প্রকাশ করতে পারেনি এদেশে সাংবাদিকের সংখ্যা কত? এসব নালিশ আমরা তার কাছে দিয়ে এসেছি।

    সাংবাদিকদের কস্টের কথা এদেশে ডাক্তারের তথ্য রয়েছে, শিক্ষকের সংখ্যা রয়েছে, কৃষকেরও সংখ্যা রয়েছে। মৎস অধিদপ্তরের নিকট রয়েছে জেলেদের সংখ্যা। প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর বলতে পারবে দেশে কোরবানীর পর কতগুলো গরু, ছাগল বেড়া আছে। কিন্তু তথ্য অধিদপ্তর কি বলতে পারবেন বাংলাদেশে সাংবাদিকের সংখ্যা কত? পারারই কথা, যখন দেশে কতগুলো পত্রিকা-টিভি আছে তা জোড় গলায় বলতে পারেন। তখন ওই পত্রিকা-টিভিগুলোতে কতগুলো সাংবাদিক কাজ করছে তাদের সংখ্যাতো জানারই কথা। কিন্তু আসলে তারা জানেন না এটাই সত্যি।

    আপনারা জানেনতো, প্রতিটি গাড়ির নাম্বার আছে, রয়েছে রিকসার নাম্বারও। সাংবাদিকরা কতটা মর্যযাদাহীন যে তাদের কোন তালিকা নেই। আর যে কারনে যে কেউ সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে এই পেশার সম্মানহানী করে চলছেই। তথ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নের কাজটি সম্পন্ন করা হোক। আর তথ্য অধিদপ্তরকে সাংবাদিকদের অধিদপ্তর হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হোক।

    ২০১৩ সালের ১৫ জুলাই বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম জন্মলাভের পর থেকে ওই প্রেস কাউন্সিলকে কার্যকর করে সারাদেশের পেশাদার সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নের জন্য স্মারকলিপি পাঠিয়েছি একাধিকবার। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকটও স্মারকলিপি পাঠিয়েছি বিভিন্ন জেলা/উপজেলা থেকে। আমরা দাবি করেছি সাংবাদিক নিয়োগ নীতিমালা প্রণয়ন করার জন্য। এটি করা হলে কথায় কথায় মালিক পক্ষ কর্তৃক সাংবাদিক ছাটাই বন্ধ হবে। প্রতিনিয়ত হামলা-নির্যাতনের কবল থেকে বাঁচতে ‘সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধে যুগোপযোগি আইন’ প্রণয়ন করার দাবি করেছি।

    সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড জনগনের চোখের সামনে তুলে ধরতে বিটিভি, বাসস ও বাংলাদেশ বেতারে উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়ার। এতে উপজেলার খবরও সরকারের নিজস্ব এই তিনটি মিডিয়ায় উঠে আসবে। সরকারের অধ্যাদেশ অনুযায়ী সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে পিআরও নিয়োগের ক্ষেত্রে পেশাদার সাংবাদিকদেরকে সুযোগ দেয়ার। তাহলে বৃদ্ধ বয়সে অনেক সাংবাদিক পিআরও পেশায় প্রবেশ করে কিছুটা হলেও আর্থিক দৈন্যতা কাটাতে পারবে। পত্রিকাগুলোকে পূর্বের ন্যায় প্রয়োজনীয় কাঁচামাল (কাগজ) বরাদ্দ দিতে হবে। এই বরাদ্দটি বাতিল করায় অনেক পত্রিকা পাঠকের চাহিদামত সংখ্যা ছাপাতে পারছেনা। ফলে পাঠক সংখ্যা দিনদিন হ্রাস পাচ্ছে।

    মাধ্যমিক স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের পাঠ্য বইয়ে গণমাধ্যম বিষয়ক একটি অধ্যায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবিও রয়েছে আমাদের সংগঠনের। অধ্যায়টি চালু হলে স্কুল-কলেজ থেকেই শিক্ষার্থীরা গণমাধ্যম বিভাগের ওপর অনার্স কোর্সে ভর্তি হতে আগ্রহী হবে। ফলে গণমাধ্যম জগতে আনাড়ি লোকজনের ভিড় কমে আসবে।

    জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিও আমাদের। দেশে ৩য় বারের মত বিএমএসএফ’র শাখাসমুহ জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ ঝাঁকজমক আয়োজনে উদযাপন করেছে। দেশে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষের স্বতন্ত্র দিবস এবং সপ্তাহব্যাপী নানা আয়োজন থাকে। আমরা দেশের গণমাধ্যমের পক্ষে জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চেয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট দু’বার স্মারকলিপি পাঠিয়েছি। আগামি বছর ২০২০ সালে দেশে চতুর্থবারের মত সাংবাদিকরা ৪র্থ জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ উদযাপন করবে ইনশাল্লাহ । আমরা আশা করছি এর আগেই জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আরেকবার গণমাধ্যম বান্ধব সরকার হিসেবে প্রমান দিবেন।

    গণমাধ্যম বান্ধব সরকার জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা প্রয়ণন করেছে। ওয়েজবোর্ড গঠন করেছেন, সাংবাদিকদের কল্যান ফান্ড গঠন করেছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দূ:স্থ- অসহায় সাংবাদিকদের জন্য ২০ কোটি টাকা সাংবাদিক কল্যান তহবিলে জমা প্রদান করেছেন। এর আগেও তিনি আরো ১০ কোটি টাকা প্রদান করেছিলেন। সব মিলিয়ে বিশাল অংকের এই টাকা যেন প্রকৃত দু:স্থ-অসহায় সাংবাদিকদের মাঝে বিতরণ করা হয় এবং মফস্বলে কাজ করা সাংবাদিকরাও যেন একটি অংশ পেতে পারেন। সে ব্যাপারে সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে আন্তরিকতার মাঝে সুষম বন্টন করতে হবে।

    ‘জেগে ওঠো বাংলার বিবেক’ আসুন, এদেশের সাংবাদিকদের হারানো ঐতিহ্য ও মর্যাদা রক্ষা আন্দোলনে আপনিও একজন গর্বিত সহযোদ্ধা হউন। সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় নিজেকে নিয়োজিত করা আপনার-আমার নৈতিক দায়িত্ব হয়ে পড়েছে। সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকুন যে কোন সময়। সাংবাদিক নির্যাতনমুক্ত একটি বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হলে দেশ থেকে অন্যায়-অনিয়ম, সন্ত্রাস-জঙ্গীবাদ, দূর্নিতী-অনিয়ম লোপ পাবে। আর তাতেই গড়ে ওঠতে পারে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা।
    লেখক: আহমেদ আবু জাফর, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ০১৭১২৩০৬৫০১ তারিখ: ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রী:।

    Facebook Comments
  • বার কাউন্সিল পরীক্ষা প্রস্তুতি ২০১৯

    লেখক:এ্যাডভোকেট মোঃ আবুল কালাম আজাদ আইন উপদেষ্টা দাবানল২৪

    তত্ত্বগত আইন-

    যে আইন কোন অধিকার ও শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করা হয়ে থাকে সেই আইনকে তত্ত্বগত আইন বলে। উদাহরন হিসাবে বলা যায়; দন্ডবিধি, ১৮৬০, চুক্তি আইন, ১৮৭২, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ ইত্যাদি তত্ত্বগত আইন।

    উপরিউক্ত আইনগুলিকে কেন তত্ত্বগত আইন বলা হচ্ছে-

    দন্ডবিধি, ১৮৬০- দন্ডবিধিতে ফৌজদারী অপরাধের সংজ্ঞা এবং তার শাস্তির বিধান দেওয়া আছে।

    চুক্তি আইন, ১৮৭২- চুক্তি আইনে কি করলে চুক্তি হয় এবং চুক্তির পক্ষগণের দায় দায়িত্ব এবং কিভাবে একটি চুক্তি বাতিল বা বাতিলযোগ্য।

    সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭- দেওয়ানী আইনের অধিকার ও তা লঙ্ঘনের প্রতিকারের বিধান দেওয়া আছে।

    পদ্ধতিগত আইন-

    যে আইন কোন অধিকার লঙ্ঘন হলে কিভাবে মামলা এবং বিচার প্রক্রিয়া কিভাবে চলবে অর্থ্যাৎ একটি মামলা দায়ের করা থেকে শুরু করে রায়ের মাধ্যমে কিভাবে মামলাটির নিষ্পত্তি হবে সে বিষয়ে যে আইন আলোচনা করে তাকে পদ্ধতিগত আইন বলে। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়; ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮, দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮, সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ ইত্যাদি পদ্ধতিগত আইন।

    উপরিউক্ত আইনগুলিকে কেন পদ্ধতিগত আইন বলা হচ্ছে-

    ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮- কিভাবে ফৌজদারী মামলা দায়ের করতে হবে এবং কিভাবে তার বিচারকার্য শেষ হবে তার বিধান দেওয়া আছে আইনে।

    দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮- কিভাবে দেওয়ানী মামলা দায়ের করতে হবে এবং কিভাবে তার বিচারকার্য শেষ হবে তার বিধান দেওয়া আছে আইনে।

    সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২- কিভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ এবং কি কি বিষয়ে সাক্ষ্য গ্রহণ করা যাবে তার বিধান আছে

    বিঃদ্রঃ কোন আইন কেবল তত্ত্বগত কিংবা পদ্ধতিগত হবে এমন কোন বিধিবদ্ধ বিধান নেই। একটি আইন তত্ত্বগত এবং পদ্ধতিগত উভয়ই হতে পারে। সেক্ষেত্রে আইনটির মধ্যে তত্ত্বগত এবং পদ্ধতিগত উভয় আইনের উপদান বিদ্যমান থাকতে হবে। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়; নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এই আইনে একই সাথে অপরাধের সংজ্ঞা এবং মামলা করা থেকে শুরু করে বিচার সমাপ্ত করা পর্যন্ত কি প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে তার বিস্তারিত বলা আছে।

    আইন এবং কোড-

    আইন-

    আইন বলতে বোঝায় কোন নির্দিষ্ট বিষয়ের নিয়মের বিধান যেমন; নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০, সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ ইত্যাদি।

    কোড-

    কোড হল কতগুলি আইনের সমষ্টি যেমন; দন্ডবিধি, ১৮৬০, দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮, ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ ইত্যাদি। এই সকল কোড অনেকগুলি আইনের সমষ্টি দন্ডবিধিতে শাস্তিযোগ্য সকল অপরাধ সম্পর্কে আইনের বিধান আছে।

    Facebook Comments
  • ঝালকাঠিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। রবিবার সকাল ১০ টায় শহরের ব্রাক মোড়ের একটি কমিউনিটি সেন্টারে জেলা বিএনপির উদ্যেগে আলোচনা সভা, দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

    জেলা বিএনপির সভাপতি মোস্তফা কামাল মন্টুর সভাপতিত্বে প্রতিষ্ঠার্ষিকীর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি রুস্তুম আলী চাষি, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান খান বাপ্পি, সদর উপজেলা সভাপতি সরদার এনামুল হক এলিন, শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান তাপু, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক রবিউল হোসেন তুহিন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সফিকুল ইসলাম লিটন, সাধারণ সম্পাদক সরদার সাফায়েত হোসেন, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আরিফুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন দিপু প্রমূখ।

    প্রতিষ্ঠার্ষিকী ও দোয়া অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপি ও এর অংঙ্গ সংগঠনের কয়েক’শ নেতাকর্মী অংশ নেয়।

    Facebook Comments
  • আরিফুর রহমান আরিফ : ঝালকাঠিতে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী,স্বাধীন বাংলার স্থপতি,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে সজিব ওয়াজেদ জয় পরিষদ আয়োজিত দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩১আগস্ট)রাতে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে এ দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    জাতীর জনকের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ মাহফিল করে আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা গভীর ভাবে শ্রদ্ধা নিবেদননের মাধ্যমে জাতির এই সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তানকে স্মরণ করেছে।

    সভায় জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি নলছিটি উপজেলা চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এ্যাড. খান সাইফুল্লাহ পনির সহ আওয়ামীলীগ অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    Facebook Comments
  • টুৃঙ্গিপাড়া ৩১ আগষ্ট ২০১৯: জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাংবাদিকদের কল্যাণে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কিন্তু প্রেস কাউন্সিল সাংবাদিকদের কাজে আসছেনা। গত বছর থেকে শুরু হওয়া সাংবাদিকদের তালিকা এখনও আলোর মুখ দেখেনি। ভুল পথে সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নের কাজ করানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়। বঙ্গবন্ধু সাংবাদিকদের কল্যানে যেভাবে কাজ শুরু করেছিলেন তেমনি তার উত্তরসূরী জননেত্রী শেখ হাসিনাও দেশ থেকে অপ-সাংবাদিকমুক্ত করতে পেশাদার সাংবাদিকদের তালিকা প্রণয়নের কাজ শুরু করেছেন। দ্রুত এই তালিকা প্রণয়নের জন্য সরকারের নিকট জোরদাবি করেছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম বিএমএসএফ। মাসব্যাপী কর্মসূচীর শেষদিন ৩১ আগষ্ট শনিবার বেলা ১২টায় টুঙ্গিপাড়ায় জাতিরজনকের সমধিতে পুস্পার্ঘ অর্পণ শেষে বিএমএসএফ’র কেন্দ্রীয় ও জেলা উপজেলা কমিটির যৌথ বৈঠকে নেতৃবৃন্দ এ কথা বলেন।

    যৌথ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিএমএসএফ কেন্দ্রীয় সভাপতি আলহাজ্ব শহীদুল ইসলাম পাইলট। প্রধান বক্তা ছিলেন বিএমএসএফ’র প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক আহমেদ আবু জাফর।
    টুঙ্গপাড়া গণপূর্ত অধিদপ্তরের গেষ্ট হাউজ ময়দানে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি আবুল হোসেন তালুকদার, সহ-সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন, কাজী মিরাজ মাহমুদ ও আকরাম হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম রেজাউল করিম, আফজাল হোসেন ও মিজানুর রহমান মিলন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ খায়রুল আলম, উপ-প্রচার সম্পাদক আরমান খান জয়, সদস্য কাজী সালাহ উদ্দিন নোমান, এম এ আকরাম, তুহিন লন্ডনী, কেন্দ্রীয় নেতা কামাল হোসেন, ঢাকা জেলা কমিটির সহ-সভাপতি ওয়াহিদুজ্জামান মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক কবির নেওয়াজ, ইমন দাস, রফিকুল ইসলাম মিরপুরী ও আবু বকর তালুকদার, সদস্য আজিজুল ইসলাম, আনিস লিমন, বরিশাল জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, ঝালকাঠি জেলা কমিটির সভাপতি আজমীর হোসেন তালুকদার, সহ-সভাপতি সত্যবান সেন গুপ্ত, সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু, চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলার সভাপতি হাকিম রানা, সহ-সভাপতি দেলোয়ার হোসেন পিপি, বাগেরহাট জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান, কুড়িগ্রাম জেলা কমিটির সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন, পাইকগাছা কমিটির সভাপতি আব্দুল আজিজ সরদার, যুগ্ম-সম্পাদক কৃষ্ণ রায়, রংপুরের পীরগঞ্জ কমিটির সভাপতি আজাদুল ইসলাম আজাদ, রাজাপুর কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, নলছিটি কমিটির সভাপতি মিলন কান্তি দাস, সহযোগি সদস্য আরিফুল ইসলাম মাসুম ও একুশে আগষ্ট বোমা হামলার শিকার সাংবাদিক শিশির প্রমুখ।
    জাতিরজনকের সমাধিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণকালে গোপালগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদ আহমেদ, গোপালগঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়ন সভাপতি সৈয়দ মুরাদুল ইসলাম, প্রেসক্লাব সদস্য বুলবুল আলম বুলু, বিএমএসএফ’র আহবায়ক শফিকুর রহমান, মাইটিভির আরিফুর রহমান, টুঙ্গিপাড়ার সাংবাদিক মুরাদ হোসেন ও বিএম বোরহানউদ্দিন, দেশবাংলা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান প্রমুখ নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।
    নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে সরকার ও গণমাধ্যমসমুহকে সারাদেশের পেশাদার সাংবাদিকদের তালিকা, সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধে যুগোপযোগি আইন, সাংবাদিক নিয়োগ নীতিমালা, জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতিসহ ১৪ দফা দাবি মেনে নেয়ার দাবি করা হয়। দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে আগত নেতৃবৃন্দ সংগঠনকে আরো গতিশীল করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ ও সিদ্বান্ত গ্রহন করেন।

    Facebook Comments
  • আরিফুর রহমান আরিফ :ঝালকাঠিতে পারিবারিক সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সমন্বয়ে সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার ৩১ আগস্ট ষাটপাকিয়া উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ করেন পুলিশসুপার ফাতিহা ইয়াসমিন। তিনি অভিভাবকবৃন্দের প্রতি তাদের সন্তানেরা কোথায় যায়, কি করে, ঠিক মত স্কুলে যায় কি না, নিয়মিত পড়াশুনা করে কি না, বা পার্কে আড্ডাবাজি করে কি না সে সম্পর্কে সতর্ক দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম, অতিঃ পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল এম.এম. মাহমুদ হাসান,

    Facebook Comments
  • রোহিঙ্গা নেতার কিশোরী কন্যার কান ফোঁড়ানো অনুষ্ঠানে অতিথিদের কেউ এনেছে স্বর্ণালংকার, কেউ এনেছে রুপা। আবার অনেকে নগদ টাকা, এমনকি ছাগল নিয়েও এসেছে।

    সম্প্রতি টেকনাফের ‘দুর্ধর্ষ রোহিঙ্গা ডাকাত’ নূর মোহাম্মদের কিশোরী কন্যার কান ফোঁড়ানো অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিরা এভাবে উপহার নিয়ে আসেন। অনুষ্ঠানে পাওয়া উপহারসামগ্রীর মধ্যে এক কেজি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৪৫ লাখ টাকাসহ আরও নানা জিনিস রয়েছে।

    শুক্রবার রাতে ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেন টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-ওসি প্রদীপ কুমার দাশ। তিনি বলেন, ‘নূর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা, ডাকাতি, অপহরণসহ অনেক মামলার রয়েছে এবং তিনি মোস্ট ওয়ানটেড আসামি।’

    তিনি আরও বলেন, ‘কান ফোঁড়ানোর অনুষ্ঠানে এরকম উপহার সামগ্রী উঠার বিষয়টি এলাকাবাসীর কাছ থেকে জেনেছি। এ ঘটনার পর থেকে রোহিঙ্গা নূর মোহাম্মদকে ধরার জন্য কয়েক দফা অভিযান চালানো হয়েছে। কিন্তু তিনি তার বিশাল অস্ত্রধারী ডাকাত বাহিনী নিয়ে টেকনাফের পাহাড়ে আশ্রয় নিয়েছে। তাই তাকে ধরা যাচ্ছে না।’

    এবিষয়ে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী জানান, ‘গত ২২শে আগস্ট রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের দিনই রোহিঙ্গা নূর মোহাম্মদ তার কন্যার কান ফোঁড়ানোর অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন। এতে গরু-ছাগল জবাই করে আয়োজন করা হয় বড় ভোজ অনুষ্ঠানের। আমন্ত্রিতদের অধিকাংশই রোহিঙ্গা ডাকাত, সন্ত্রাসী ও রোহিঙ্গা ইয়াবা কারবারির দল।’

    তিনি বলেন, ‘১৯৯২সালে মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা নূর মোহাম্মদ হ্নীলা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের জাদিমুরা এলাকায় এসে প্রথমে বাসা ভাড়া নিয়ে ছিলেন। ধীরে ধীরে সেখানেই জমি কিনে বাড়ির মালিক হন।’

    অভিযোগ রয়েছে, নূর মোহাম্মদের ডাকাত বাহিনী অপহরণ, ডাকাতি, সন্ত্রাসী, ছিনতাই, মানব পাচার এবং সর্বশেষ সীমান্তের এক চেটিয়া ইয়াবা কারবারও হাতে নেয়। ইতিমধ্যে দুই বছর আগে বাংলাদেশে লক্ষাধিক রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের পর নূর মোহাম্মদের ক্ষমতা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এলাকার ৫-৬টি রোহিঙ্গা শিবির, টেকনাফের বিস্তৃত পাহাড়, সীমান্তের নাফ নদী ও নদীর ওপারের রাখাইনের অভ্যন্তরে থাকা ইয়াবা কারখানা ও গবাদি পশুর বাজারসহ একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণে নেয় তারা। এসব কারণেই বাহিনীর সদস্যরা এখন কোটি কোটি টাকার মালিক।

    এ বিষয়ে ওসি প্রদীপ কুমার জানান, রোহিঙ্গা নূর মোহাম্মদের বাংলাদেশে ৪টি বাড়ি রয়েছে। তার মধ্যে একটি পাকা ভবন, একটি দু’তলা, একটি টিনের ঘর এবং অপরটি বাগান বাড়ি। রোহিঙ্গারাই তার কন্যার কান ফোঁড়ানোর অনুষ্ঠানে এক কেজির মত স্বর্ণালংকার এবং সেই সাথে নগদ টাকা দেয়। রীতিমত প্রতিযোগিতা করে উপহার সামগ্রী দিয়েছে তারা। যে কারণেই এরকম অস্বাভাবিক পরিমাণে উপহার উঠেছে।

    Facebook Comments
  • ঝালকাঠি জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ এর উদ্যোগে শহরের পাবলিক হরিসভা চত্বরে জেলা পর্যায়ে গীতাপাঠ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিযোগিতায় উপজেলা পর্যায়ের বিজয়ী তিনজন করে তিনটি গ্রুপে ৩৬জন শিশু কিশোর অংশ গ্রহণ করে। প্রতিযোগিতা শেষে জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। বিজয়ী প্রতিযোগী তিনজন আঞ্চলিক পর্যায়ে অংশগ্রহণ করবে। পূজা উদযাপন পরিষদ সভাপতি অ্যাডভোকেট তপন কুমার রায় চৌধুররীর সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে মন্দির পরিচালনা পরিষদের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র বণিক, প্রফেসর ডা. অসীম কুমার সাহা, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী সমির কুমার দাস, জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক তরুন কর্মকার, অ্যাডভোকেট তপন কুমার সরকার বিশেষ অতিথি ছিলেন।

    Facebook Comments